সফল যারা কেমন তারা


মানব সৃষ্টির সূচনা লগ্ন থেকেই পুরুষের সকল কাজের অনুপ্রেরণা ও সফলতার পেছনে আছেন নারী। সন্তান জন্ম দেওয়া থেকে শুরু করে সংসার নামক সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সমস্ত খুঁটি নাটি কাজের সুব্যবস্থাপক হলো নারী। ঘরের চার দেওয়ালের ভেতর থেকে শুরু করে মহাকাশূন্য হেন কোন ক্ষেত্র নেই যেখানে নারীর পদচারনা ঘটেনি। দেশের গুরুত্বপুর্ন প্রতিষ্ঠান গুলোতে উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের মাঝে সবচেয়ে কর্মঠ আর ন্যায় পরায়ন কর্মী তারাই। আজকাল আমরা সবচেয়ে বড় যে পরিবর্তন টি আমাদের সমাজে  দেখতে পাই তা হলো, নিজ নিজ অবস্থান থেকে নারীদের অর্থনৈতিক স্বাধিনতা অর্জনের প্রচেষ্টা। আমরা এর আগেও বাংলাদেশের সফল এবং টপ রেটেড ফ্রিল্যান্সার অজন্তা এবং অনলাইন বিজনেজ এর সুবাদে অন্যান্য সফল নারীদের সফলতা নিয়ে প্রতিবেদন করেছি যা তরুন সমাজের কাছে ব্যপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। আজ আমরা কয়েকজন চাকুরীজিবী নারীদের নিয়ে এসেছি, যারা নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে সুনামের সাথে কাজ করছেন এবং নিজ শিক্ষাগত দক্ষতা ও যোগ্যতা দিয়ে সমাজে নিজের একটি দৃঢ় অবস্থান গড়ে নিয়েছেন। আমরা তাদের সবাইকে মাত্র একটি প্রশ্ন করেছিলাম, প্রশ্নটি হলো-

“আপনার কর্মজীবন থেকে আপনার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি  কি? রমণীয় প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে  শিক্ষিত নারী সমাজের উদ্দেশ্যে এমন কিছু বলুন যা তাদের ক্যারিয়ার গড়তে সাহায্য করবে।” 

চলুন আমরা একে একে সকলের মতামত জেনে নেই । যারা অনার্স কোন বিষয়ে পড়বেন এবং কোন সেক্টরে কাজ করবেন তা নিয়ে ভাবছেন অথবা যারা চাকুরীর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন বা চাকুরী করবেন কি না এ নিয়ে ভাবছেন তাদের দ্বিধা দুর করে দিতে এই ব্লগটি সাহায্য করবে বলে আশা করছি। 

হাফিয়া তাজরিয়ান
হাফিয়া তাজরিয়ান

হাফিয়া তাজরিয়ান 
যুগ্মপরিচালক
বাংলাদেশ ব্যাংক
প্রধান কার্যালয়, ঢাকা।

২০০৬ এ অনার্স শেষ করি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি ‘ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি) থেকে। এরপর ২০০৭ থেকে  ২০০৯ পযর্ন্ত  এমবিএ করবার সময়টায় প্রথম জব করি একটা মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানীতে। কিন্তু এমবিএ ভালো করে সম্পন্ন করবার উদ্দেশ্যে সেই জবটা ছেড়ে দেই। পরে ২০১০ সালে যোগদান করি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক “বাংলাদেশ ব্যাংক” এ সহকারী পরিচালক হিসেবে। পূর্বে প্রাইভেট কোম্পানীতে কাজ করায় সরকারী চাকরি সম্পর্কে কোনো ধারণা ছিলনা। তাছাড়া প্রাইভেট ভার্সিটিতে পড়ার দরুন যে কোনো চাকরির ইন্টারভিউতেই অনেক বিরূপ মন্তব্যের মুখামুখি হতে হয় তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের চাকরির ইন্টারভিউটি ছিল পুরোদস্তুর প্রফেশনাল।  যোগদানের শুরুতেই ০৬ (ছয়) মাসের Extensive প্রশিক্ষণ দেয়া হয়, যা কমর্জীবন শুরু করবার জন্য খুবই সহায়ক ছিল।তবে আমার চাকরি জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ছিল Australia Awards এ সুযোগ পাওয়া। সরকারি চাকরির সুবাদে আমি ২০১৩ সালে উক্ত স্কলারশিপে আবেদন করার সুযোগ পাই এবং সিলেকশন প্রক্রিয়ায় উত্তীর্ণ  হই। অস্ট্রেলিয়া সরকারের বৃত্তি নিয়ে ২০১৪ সালের জুন মাসে যাত্রা শুরু করি অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ‘ইন্টারন্যাশনাল এন্ড ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিক্স’ এ মাস্টার্স করতে। 

কিন্ত খুব সহজ ছিলনা এ পথ। আমার যাওয়ার কথা ছিল ২০১৪ সালের জানুয়ারীতে কিন্তু যাত্রাদিনের মাত্র ১ সপ্তাহ আগে একটি  দূর্ঘটনায় পা ভেঙ্গে প্রায় ৪ মাস আমাকে শয্যাশায়ী থাকতে হয়, ফলে আমার পড়াশুনা শুরু হয় ৬ মাস বিলম্বে। তবে বিদেশে একা নতুন পরিবেশে  নিজেকে খাপ খাওয়ানো, ভিন্ন পদ্ধতিতে পড়াশুনাসহ সকল চড়াই উৎরাই পেরিয়ে ২০১৬ সালে মাস্টার্স কমপ্লিট করি। পড়াশুনা করার মধ্যবর্তী সময় উপপরিচালক হিসেবে পদোন্নতি পাই। বিদেশে থাকাকালীন আমার মা গিয়েছিলেন আমাকে দেখতে, এক সাথে মা-মেয়ে আমরা অনেক ঘুরেছি অস্ট্রেলিয়ার পথে পথে যা আমার জীবনে সবসময়েই মূল্যবান স্মৃতি হয়ে থাকবে।

বর্তমানে যুগ্মপরিচালক হিসেবে কাজ করছি দেশের অর্থনীতিতে সকলস্তরের মানুষের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে।

শিক্ষিত নারী সমাজের উদ্দেশ্যে বলবো- নারীদের কর্মক্ষেত্র সবসময়ই চ্যালেঞ্জিং, শুধু কাজের জায়গাই নয় অন্যান্য সকল ক্ষেত্রেই নারীদের সবসময় বন্ধুর পরিবেশে নিজেদের যোগ্যতার পরীক্ষা দিতে হয় যা তার বিপরীতে পুরুষকর্মীর জন্য হয়তো ততোটা কঠিন নয়। তবে এ কঠোর বাস্তবতা মেনে নিয়েই স্বমহিমায়  নারীদের এগিয়ে যেতে হবে, এ অগ্রযাত্রায় যতোই প্রতিবন্ধকতা আসুক হাল ছেড়ে দেয়া যাবেনা।

 

শরীফা খাতুন শিউলী
সাব-এডিটর, বাণিজ্য প্রতিদিন
মাস্টার্স (ব্যবস্থাপনা বিভাগ)
আযম খান সরকারি কমার্স কলেজ, খুলনা

দীর্ঘ প্রায় ১ যুগ ধরে সাংবাদিকতা পেশায় আছি। এ পেশায় আমার সব চেয়ে বড় প্রাপ্তি হল সম্মান ও কাজের স্বাধীনতা। আমি খুলনায় থেকে ঢাকার একটি অর্থনীতি ভিত্তিক পত্রিকার শেয়ারবাজার বিটে কাজ করি। যা আমার মতো একজন মানুষের জন্য অনেক বড় পাওনা। অফিসের প্রতিটি সদস্য আমাকে খুব সম্মান করে। এছাড়া সমাজের মানুষজনও যথেষ্ট সম্মান করে। এক্ষেত্রে আমাকে একটি উদাহরণ দিতে হয় আর সেটা হল- বেশ কিছু দিন আগে আমি একটি সেমিনারে অংশগ্রহন করি যার বিষয় ছিল কর্মক্ষেত্রে নারী সাংবাদিকের প্রতিবন্ধকতা। সেমিনারে ঢাকা থেকে যে আপা এসেছিলেন তিনি আমাকে বলেছিলেন, “আমি সারা বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার নারী সাংবাদিক নিয়ে কাজ করেছি। কিন্তু আপনার মতো কাউকে পাইনি। আপনি নারী সাংবাদিকতার বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করে দিয়েছেন। পুরোপুরি রক্ষণশীল জীবনযাপন করে সাংবাদিকতা করা যায় আর ঢাকার বাইরে থেকে অর্থনীতি বিষয়ে সাংবাদিকতা করা যায় এই ধারণাই ছিল না আমার। আমি আপনার কাছ থেকে নারী সাংবাদিকতা বিষয়ে নতুন ধারনা পেলাম।” 

সেদিনের সেমিনারে সেই আপার মন্তব্যটি আমার পেশা জীবনের অনেক বড় পাওনা। যা আমি সারা জীবন মনে রাখবো।  

আমি মূলত প্রথাগত ধ্যান ধারনার বিপরীতে চলতে পছন্দ করি। আমি সব সময় মনে করি আমার যেটা প্রয়োজন বা আমি যেটা করতে চাই সেটা যদি সঠিক থাকে তাহলে যে কোন নিয়ম আমি ভাঙতে রাজি। শিক্ষিত নারীদের সে রকম প্রত্যয় নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। লক্ষ্য যদি ঠিক থাকে পথে কোন বাঁধা পেলেও থামা যাবে না। আমাকে কেউ পথ করে দেবে না। আমাকেই আমার পথ তৈরি করে নিতে হবে। কাজের প্রতি সৎ থাকতে হবে। অর্পিত দায়িত্বকে আমানত হিসেবে গ্রহন করতে হবে। 

কোন শিক্ষিত নারী যদি সাংবাদিকতা পেশায় আসতে চায় তাহলে তাকে এ বিষয়টি সম্পর্কে আগে ভালো ভাবে জেনে বুঝে আসতে হবে। ভালো একজন পাঠক হতে হবে। ভালো পাঠক না হতে পারলে ভালো লেখক হওয়া যাবে না। এ পেশার সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে জানতে হবে। প্রতি নিয়ত শিখবো এ ধরণের মানসিকতা রাখতে হবে। সাংবাদিকতা পেশায় আমি সব জানি এ কথার কোন সুযোগ নেই। বরং আমি তেমন কিছু জানি না এটাই ঠিক। 

সাবরিনা হক সৌমি

সাবরিনা হক
এসিস্ট্যান্ট ম্যেনেজার
প্রসেস হেড বিপিও অপারেশন্স এন্ড কিউ.সি.এম
ইম্পেল সার্ভিস এন্ড সল্যুশন্স লিমিটেড

আমি সাবরিনা, কাজ করছি বাংলাদেশের BPO সেক্টরে। ছাত্র জীবন থেকেই আমি পড়াশোনার পাশাপাশি খণ্ডকালীন কর্মজীবনে যোগদান করি। তখন থেকেই আমার উদ্দেশ্য ছিল অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর হওয়া এবং নিজেকে আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তোলা।

আমার কর্মজীবন থেকে আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হলো পারিবারিক এবং সামাজিকভাবে বিভিন্ন প্রতিকূলতার মোকাবেলা করতে কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা এবং অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা আমাকে অনেক এগিয়ে দিয়েছে। চাকরিজীবী নারী হিসেবে ঘরের বাইরে ও বহু মানুষের সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা আমার চিন্তাধারাকে অনেক বেশি উন্মুক্ত করেছে যেটা পারিবারিক এবং সামাজিকভাবে দায়িত্বশীল হতে খুব সহায়ক।

তবে আরেকটা কথা না বললেই না এখনো আমাদের দেশে নারীদের জন্য নিরাপদ কর্মস্থলের অভাব রয়েছে তবে তার মানে এই না যে সব সব কর্ম ক্ষেত্রে নারীরা নিরাপদ নয়। এই মুহূর্তে আমাদের দেশে BPO সেক্টরে নারীদের কাজ করার পর্যাপ্ত সুযোগ এবং পরিবেশ রয়েছে ।

ছাত্রজীবন থেকেই নিজেকে ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত করতে এই সেক্টরে কাজ করার অভিজ্ঞতা অনেকাংশেই যোগাযোগ এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়িয়ে দেয়।

ডাঃ রেবেকা সুলতানা খুশি

ডাঃ রেবেকা সুলতানা
এম.বি.বি.এস
আই.এম.ও
প্রাইম হাসপাতাল রংপুর, লিমিটেড

সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি আর্থিক ভাবে স্বাধীন হওয়া,আপনি যখন নিজে জব করেন তখন আর্থিক ভাবে আপনি আপনার পরিবার কে সাহায্য করতে পারেন,আপনার মতামতের গুরুত্ব থাকে,সবাই আপনাকে সম্মান করে,আমি একজন ডাক্তার হিসেবে নিজের স্কিল কে অনেক ডেভেলপ করতে পারছি,এতে দেশ ও দশের যেমন উপকার হচ্ছে,আমার ব্যক্তি জীবনের হতাশা কমে যাচ্ছে।ডাক্তার হিসেবে হতাশ হওয়ার মত অনেক জায়গা আছে,কিন্তু নিজের দক্ষতা দেখাতে পারলে আপনি সহজেই কাজ করতে পারবেন এবং স্বাবলম্বী হতে পারবেন।

আমি মনে করি শুধু ডাক্তার না যত নারী আছেন শিক্ষিত কর্মক্ষম তাদের অবশ্যই কর্মক্ষেত্রে যোগদান করা উচিত।

 

শাকিলা ইসলাম

শাকিলা ইসলাম
এসিস্টেন্ট হেড টিচার
সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, রংপুর

আমার কর্ম জীবন থেকে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হলো যে আমি যখন কোন জায়গায় যাই, তখন দৌড়ে এসে আমার ছাত্র ছাত্রীরা আমাকে সালাম দেয়; এবং বলে যে আমি অমুক ব্যাচের ছাত্রী বা অমুক ব্যাচের ছাত্র, তারা অনেকেই এখন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা বড় বড় প্রতিষ্ঠানের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা। শিক্ষিকা হিসেবে এটা আমার বড় পাওয়া আমি তাদের মাঝে সেই উচ্চাকাঙ্ক্ষা তৈরী করে দিতে পেরেছি।  এছাড়া এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করে আমার কর্ম জীবন শিক্ষা ক্ষেত্রে যেহেতু জড়িত সেহেতু আমি দেখেছি যে অনেক অনেক বড় বড় জায়গায় আমাকে ওঠা বসা করতে হয় সেখানে আমি দেখেছি যে সবাই আমাকে শ্রদ্ধার চোখে দেখে। এমনকি শহরের বড় বড় উচ্চ পদস্থ কর্ম কর্তারা যারা আমাকে শিক্ষক হিসেবে অনেক বেশী অনার করে। এটাই আমার কর্ম জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

আসলে আমি মনে করি যে একজন শিক্ষিত পুরুষের চেয়ে একজন শিক্ষিত নারী কর্মীদের জন্য কর্ম সংস্থান বেশী দরকার , কারন নারীদের লেখা পড়ার আসল উদ্দ্যেশ্য সমাজে বেঁচে থাকা শুধু নয়, আমরা আসলে লেখাপড়া করবো এজন্য যে আমরা নিজেকে যেন সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে পারি। একজন শিক্ষিত নারী কর্ম ক্ষেত্রে একারনে যোগদান করবে যে তার আসলে জীবনে আর্থিক স্বাধীনতা অনেক প্রয়োজন। আসলে মানুষ একঘেয়েমি হয়ে যায় যদি কখনও কোন কিছুর সাথে জড়িত না থাকে বিশেষ করে তার যদি কর্ম ব্যস্ততা না থাকে তার যদি কর্ম সংস্থানের ব্যবস্থা না থাকে।  একজন কর্ম জীবী নারী আর একটা হাউজ ওয়াইফের মধ্যে অনেক তফাত থাকে কারন একজন কর্মজিবী নারীর যে স্বাধিনতা একজন হাউজ ওয়াইফের সে স্বাধীনতা থাকে না। একজন কর্মজিবী নারী নিজেকে , নিজের পরিবারের জন্য নিজের যে পিতা মাতার জন্য এবং সবার জন্য স্বাধীন ভাবে যে কাজটি করতে পারে একজন হাউজ ওয়াইফের মাধ্যমে সেটা করা সম্ভব হয়না। এজন্য আমি মনে করি যে একজন শিক্ষিত নারী বসে না থেকে অবশ্যই তার কিছু না কিছু করা উচিৎ, বিশেষ করে অর্থনৈতিক স্বাধিনতার জন্য তাকে যেকোন কর্মক্ষেত্রে যোগদান করা উচিৎ। 

 

পড়ালেখা শুধুমাত্র একটি সার্টিফিকেটের জন্য নয়, দক্ষতা শুধু  ট্রফি বানিয়ে শো-কেসে রাখতে নয়, সার্টিফিকেট এবং দক্ষতা দুইয়ে মিলে আপনি নিজেই নিজের বিহঙ্গ কে মেলে ধরতে পারেন মুক্ত স্বাধীন আকাশে। সকল নারীর অর্থনৈতিক স্বাধিনতা আসুক এবং সফল হোক সকল শিক্ষিতা। রমনীয়র সাথেই থাকুন, সামনে আরোও চমক নিয়ে আসতে আমরা বদ্ধ পরিকর।


Leave a Reply

Your email address will not be published.